শোয়েবের বাউন্সারে অজ্ঞান হয়ে গিয়েছিলেন লারা, তারপর…

শোয়েবের বাউন্সারে অজ্ঞান হয়ে গিয়েছিলেন লারা, তারপর…

চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতেই অভিষেক হয়েছিল ড্যারেন সামির। পাকিস্তানের বোলিং আক্রমণ সামলানোর দায়িত্ব তখন ওয়াকার ইউনিস, শোয়েব আখতার, মহম্মদ সামিদের ওপর। বিধ্বংসী জোরে বোলিং। শোয়েব আখতারের বাউন্সারে লারার আহত হওয়ার ঘটনা তুলে ধরেন ড্যারেন সামি।

এইসময় ডিজিটাল ডেস্ক : ২০০৪ সালে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে পাকিস্তান–ওয়েস্ট ইন্ডিজ ম্যাচ। হ্যাম্পশায়ারের রোজ বোল স্টেডিয়ামে খেলা। ব্রায়ান লারা ব্যাট করছিলেন। শোয়েব আখতারের ১৪৮.‌২ কিমি গতিতে ধেয়ে আসা বাউন্সার সামলাতে পারেননি লারা। বল তাঁর মাথার পেছন দিকে হেলমেটে লাগে। সঙ্গে মাটিতে লুটিয়ে পড়েছিলেন লারা। কয়েক সেকেন্ডের জন্য সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়েছিলেন। চোখের সামনে ওই ঘটনা দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন ড্যারেন সামি। লারার মতো ওই রকম আঘাত পেলে তিনি আবার ক্রিকেট খেলতেন কিনা ভাবতেন।

ওই বছর চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতেই অভিষেক হয়েছিল ড্যারেন সামির। পাকিস্তানের বোলিং আক্রমণ সামলানোর দায়িত্ব তখন ওয়াকার ইউনিস, শোয়েব আখতার, মহম্মদ সামিদের ওপর। বিধ্বংসী জোরে বোলিং। শোয়েব আখতারের বাউন্সারে লারার আহত হওয়ার ঘটনা তুলে ধরে ড্যারেন সামি বলেন, ‘‌আখতারের বাউন্সারে লারার আহত হওয়ার ঘটনা দেখেছিলাম। মাথায় আঘাত পেয়ে লারা মাটিতে পড়ে গিয়েছিল। প্রায় অচেতন হয়ে পড়েছিল। আমি তখন ডাগ আউটে বসেছিলাম। নিজেকে প্রশ্ন করেছিলাম, শোয়েব আখতার আমাকে ওইরকম আঘাত করলে আবার ক্রিকেট খেলব কিনা।’‌

কেন শোয়েব আখতার লারাকে বাউন্সার দিয়েছিলেন?‌ ড্যারেন সামির মুখেই শোনা গেছে সে কথা। সামি বলেন, ‘‌লারা ওই ওভারের প্রথম বলে শোয়েব আখতারকে বাউন্ডারি মেরেছিল। আর বাউন্সারই ছিল শোয়েবের প্রত্যুত্তর।’‌ শোয়েবের গতি আতঙ্ক ধরালেও যেভাবে চুল উড়িয়ে বোলিং করতে আসতেন, বেশ ভাল লাগত ড্যারেন সামির। নিজের মুখেই সেকথা স্বীকার করেছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের টি২০ বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক।

এখন অবশ্য খেললে শোয়েব আখতারকে ভয়ে পেতেন না ড্যারেন সামি। আসলে শোয়েব যখন সেরা ফর্মে ছিলেন, তখন সামি সবে মাত্র আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পা রেখেছেন। বয়স মাত্র ১৯। সামি বলেন, ‘‌শোয়েব আখতার বিখ্যাত ছিল ওর গতির জন্য। এখন যদি খেলত, আর আমি যদি ওর মুখোমুখি হতাম, ভয় পেতাম না। মাঠের বাইরে উড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করতাম।’‌


Leave a Reply

Your email address will not be published.